রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ! ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া মহারণ — ইনজুরি ও স্বাস্থ্যের আসল গল্প
📊 গতকালের ফলাফল (১৬ জুন) — মেসি-এমবাপে মাঠে!
👑 রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ — ৪১ বছরে ইতিহাস গড়ার সুযোগ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আজ রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে মাঠে নামছেন। ৪১ বছর বয়সে এই কীর্তি আর কেউ করেননি। কিন্তু এই বিশ্বকাপের আগে তার হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি পুরো ফুটবল দুনিয়াকে চিন্তায় ফেলেছিল।
ফেব্রুয়ারিতে Al-Nassr-এর হয়ে খেলতে গিয়ে ডান হ্যামস্ট্রিং টেন্ডনে গুরুতর চোট পান। ক্লাব জানায় ২-৪ সপ্তাহ বিশ্রাম দরকার। পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্টিনেজ বলেছিলেন: "বিশ্বকাপ ঝুঁকিতে নেই, এটা ছোট ইনজুরি।" রোনালদো এরপর জিম ভিডিও শেয়ার করে দেখান — তিনি প্রতিদিন ভালো হচ্ছেন।
- রুবেন দিয়াস — উরুর চোটে মাস খানেক মিস করেছেন (ম্যান সিটি)
- রাফায়েল লেয়াও — দীর্ঘ ইনজুরি থেকে ফিরে আবার সমস্যায় (AC মিলান)
- নেলসন সেমেদো — বাঁ হাঁটুর লিগামেন্ট সমস্যায় দীর্ঘ অনুপস্থিতি (ফেনেরবাহচে)
- ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও — পেশির সমস্যায় একাধিক ম্যাচ মিস (জুভেন্টাস)
DR কঙ্গো আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী দল। তাদের আক্রমণভাগ বেশ দ্রুতগতির। পর্তুগালের জন্য সহজ ম্যাচ হবে না।
২০১৮ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে। সেই ক্ষত এখনো ইংলিশ ফুটবলে জীবন্ত। আজ হ্যারি কেন, জুড বেলিংহাম — কিন্তু দুজনেই ইনজুরি নিয়ে ম্যাচে নামছেন!
আর্সেনালের বুকায়ো সাকা মার্চ থেকে মাত্র একবার ৯০ মিনিট খেলেছেন। অ্যাকিলিস টেন্ডনের সমস্যায় প্রায় তিন মাস কষ্ট পেয়েছেন। কোচ টমাস টুখেল বলছেন বড় ইনজুরি নয় — তবে টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচের কথা মাথায় রেখে ঝুঁকি নাও নিতে পারেন।
রিয়াল মাদ্রিদের জুড বেলিংহাম ফেব্রুয়ারিতে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে মাঠেই কেঁদে ফেলেন বাঁ পায়ের চোটে। অপারেশন লাগেনি, কিন্তু সুস্থ হতে সময় লেগেছে। এখন ইংল্যান্ডের মেডিকেল টিম তাকে প্রতিটি ম্যাচে বিশেষ নজরে রাখছে।
লুকা মডরিচ (৪০ বছর) — রোনালদোর মতো মডরিচও এটি শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন। জর্ডান হেন্ডারসন বলেছেন: "মডরিচ সেরা মিডফিল্ডার যার বিপক্ষে আমি খেলেছি।" ডেফেন্ডার কালেতা-কার মাইনর ইনজুরি থেকে ফিরে খেলার জন্য প্রস্তুত।
ঘানা আফ্রিকার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ফুটবল দেশ। তাদের লক্ষ্য ইংল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ করা এবং Group L থেকে বের হওয়া। পানামা CONCACAF অঞ্চল থেকে এসে প্রতিবারই বিশ্বকে চমকে দেয়।
কানাডার টরন্টোতে জুনে তাপমাত্রা মাত্র ২২-২৬ ডিগ্রি। গরমের কোনো সমস্যা নেই। খেলোয়াড়দের জন্য এটি সবচেয়ে আরামদায়ক ভেন্যু — বিশেষত মিয়ামি বা হিউস্টনের তুলনায়।
উজবেকিস্তান — বিশ্বকাপের নতুন অতিথি, এশিয়া থেকে আসা চমক। আর কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল। মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজটেক স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ।
মেক্সিকো সিটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,২৪০ মিটার উঁচুতে। এই উচ্চতায় বায়ুতে অক্সিজেন কম — শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, হৃদস্পন্দন বাড়ে, শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়। উজবেকিস্তান এই পরিবেশে আগে কখনো খেলেনি — এটাই তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

0 Comments